নীল জলরাশির বুকে নীল পরীর সাথে

তৌহিদ আহমেদ চৌধুরী

হঠাৎ ঝাঁকুনিতে চোখ খুলে দেখি ১০০ কি.মি বেগে ছুটে চলা আমায় বহনকারী বাসটি মেঘনার বুক চিঁড়ে ছুটে চলছে।পাশে তাকিয়ে দেখি চাঁদের আলো পড়া একটি কোমল মুখ আমার কাঁধে নিশ্চিন্তে ভর করে আছে। আমি চিন্তায় ডুবে গেলাম, ঠিক চিন্তা না, এ যেন এক স্বপ্ন, গত ছয় মাসের স্বপ্নের বাস্তব রূপদান। মমে মনে ভাবতে লাগলাম খুব সুন্দর একটা ভ্রমণ হবে আমার ভালবাসার মানুষের সাথে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি পিস্ট একজন মধ্যবিত্ত শিক্ষকের নিকট এই ভ্রমণ যে আসলেই অনেক অমূল্য। খুব ভোরে যখন বাস থামাবে,ভাবছি এক সাথে দুজন কুয়াশার মাঝে দাঁড়িয়ে কুয়াশা মেশানো দুধের চা'য়ের স্বাদ নিব। তারপর শুরু করব নীল জলরাশির দিকে ছূটে চলা। নীল জলরাশির সেন্টমার্টিনকে এই প্রথমবার আমাদের আলিঙ্গন করা হবে। ভালবাসার মানুষটাকে তাই দেখতে চাই নীল রঙের একজন পরীর রূপে, নীল শাড়ি, নীল টিপ, নীল চুড়ি আর মাথায় বেলি ফুলের খোঁপা। তারপর দুজনে মিলে হেঁটে যেতে চাই নীল জলরাশির গহিনে, হাতে হাত রেখে দেখতে চাই এই সুন্দরীতমা দ্বীপে সূর্যের পরাস্ত হাওয়া।রাতের আকাশ আর সাগরে গর্জন এই দুইয়ের সাথে কাটিয়ে দিতে চাই সারাটা রাত। শোনাতে চাই ভালবাসার গান। "ভালোবেসে সখী নিভৃতে যতনে আমার নামটি লিখো তোমার মনের মন্দিরে...."

শেয়ার

Copyright © The Daily Star 2023